আসুন, মোটরযান আইনের অপরাধ ধারাগুলো কি কি জেনে নেই ?

81 / 100

মোটরযান আইনের অপরাধ ধারাগুলো কি কি জেনে নেই ?

আসুন জেনে নেই মোটরযান আইনের অপরাধ ধারাগুলো কি কি?

ধারা : ১৩৮। লাইসেন্স ব্যতীত মোটরযান চালালে সর্বোচ্চ চার মাসের কারাদণ্ড অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দন্ডিত হবেন।

ধারা : ১৩৯। উচ্চ শব্দ উৎপাদনকারী যন্ত্র লাগান ও ব্যবহার করলেঃ

* যদি মোটরযানে এমন ধরণের হর্ণ বা শব্দ উৎপাদনকারী যন্ত্র সংযোজন বা ব্যবহার করে যাহা সংশ্লিষ্ট এলাকায় যথাযোগ্য কর্র্তৃপক্ষ বিধি বা প্রবিধান মোতাবেক নিষিদ্ধ করিয়াছেন তাহা হইলে নির্দিষ্ট সর্বোচ্চ একশত টাকা পর্যন্ত জরিমানা হইবে।

ধারা: ১৪১। লাইসেন্স সংক্রান্ত মোটরযান আইনের অপরাধঃ
* এই আইন অনুযায়ী মোটরযান চালনাকালে কর্মরত কর্তৃপক্ষ চাহিবামাত্র বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদর্শন করিতে ব্যর্থ হইলে দণ্ডস্বরূপ পঞ্চাশ টাকা জরিমানা করা হইবে।

ধারা : ১৪২। দ্রুতগতিতে গাড়ি চালাইলেঃ

* প্রথমবার মোটরযান আইনের অপরাধ এর জন্য সর্বোচ্চ এক মাস কারাদণ্ড কিংবা সর্বাধিক পাচশত টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দন্ডিত হবেন।

* পরবর্তী অনুরূপ অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ তিন মাস কারাদণ্ড কিংবা সর্বাধিক পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দন্ডিত হবেন। এক মাস মেয়াদের জন্য তাহার ড্রাইভিং লাইসেন্স অনধিক সাসপেণ্ড করা হইবে।

ধারা : ১৪৩।বিপজ্জনকভাবে গাড়ি চালনাঃ

* বিপদজনকভাবে গাড়ি চালালে এই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড কিংবা পাঁচশত টাকা জরিমানা হইবে এবং একটা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য তাহার ড্রাইভিং লাইসেন্স সাসপেন্ড থাকিবে।

ধারা : ১৪৪। মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানোঃ

* গাড়ির নিয়ন্ত্রণ কার্যকর করিতে অক্ষম, এমতাবস্থায় যদি কেউ গাড়ি চালান কিংবা চালানোর চেষ্টা করেন, তবে এইরুপ অপরাধে প্রথমবার সর্বোচ্চ তিন মাস কারাদণ্ড কিংবা সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ডে দন্ডিত হবেন।

ধারা : ১৪৭। মোটরযান আইনের অপরাধ করতে সহায়তার জন্য শাস্তিঃ 

* ১৪৩ কিংবা ১৪৫ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যাক্তি একটি অপরাধ সংঘটনের সহায়তা করিলে তিনি সেই অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি পাওয়ার যোগ্য হইবেন।

ধারা : ১৪৮। মোটরগাড়ির গতি পরীক্ষা অথবা দৌড়বাজিঃ

* সর্বোচ্চ এক মাস কারাদণ্ড কিংবা সর্বাধিক পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দন্ডিত হবেন। সর্বোচ্চ এক বৎসরের জন্য তাহার ড্রাইভিং লাইসেন্স সাসপেণ্ড করা হইবে।

ধারা : ১৪৯। নিরাপত্তাবিহীন অবস্থায় গাড়ি ব্যবহারঃ

* সর্বোচ্চ এক মাস কারাদণ্ড কিংবা সর্বাধিক দুইশত পঞ্চাশ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দন্ডিত হবেন।

ধারা : ১৫০। অধিক ধোঁয়া বাহির হওয়া মোটরযান ব্যবহারঃ

* যদি কোন মোটরযান থেকে অধিক ধোঁয়া বাহির হয় যাহার ফলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হইতে পারে, তাহলে সর্বোচ্চ দুইশত টাকা জরিমানা হইবে।

ধারা : ১৫১। সঙ্গতিবিহীনভাবে গাড়ি বিক্রয় অথবা গাড়ির পরিবর্তন সাধনঃ

* সর্বোচ্চ দুই বৎসর কারাদণ্ড কিংবা পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দন্ডিত হবেন।

ধারা : ১৫৪। অননুমোদিত ওজন অতিক্রমপূর্বক গাড়ি চালনাঃ

* ৮৬ অথবা ৮৮ ধারার অধীনে আরোপিত কোন নিষেধাজ্ঞা লংঘন করে গাড়ি চালাইলে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড।

ধারা : ১৫৬। আইনানুগ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত গাড়ি চালনাঃ

* কোন আইনানুগ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত মোটরগাড়ি চালালে সর্বোচ্চ তিন মাস কারাদণ্ড অথবা সর্বাধিক দুই হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দন্ডিত হবেন।

ধারা : ১৫৭।প্রকাশ্য স্থানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিঃ

* ১৫৭। প্রকাশ্য স্থানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে সর্বোচ্চ পাঁচশত টাকা জরিমানা হইবে কিংবা খুচরা যন্ত্র বা জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করা হইতে পারে।

ধারা : ১৬০।অপরাধীকে ওয়ারেন্ট ব্যতীত গ্রেফতারের ক্ষমতাঃ

* এক ইউনিফরমধারী পুলিশ অফিসারের সামনে কেহ যদি ৩২, ৫১, ১৪৩, ১৪৪, ১৪৫, ১৪৬, ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ১৫৪ কিংবা ১৫৬ ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধ করে তবে তিনি উক্ত অপরাধীকে ওয়ারেন্ট ব্যতীতই গ্রেফতার করিতে পারেন।

Join us

Facebook  Linkedin  

1 thought on “আসুন, মোটরযান আইনের অপরাধ ধারাগুলো কি কি জেনে নেই ?”

Leave a Comment

Your email address will not be published.